সতর্কতামূলক অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি গত কয়েক মাস আগে আমার রিলেটিভের Square Hospital-এ চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের বিলের কিছু অংশ Nagad Payment Gateway-এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। এর ৩/৪ দিন পর একজন ব্যক্তি ফোন করে নিজেকে হাসপাতালের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে জানান, একটি পেমেন্ট ও জাল নোট সংক্রান্ত সমস্যায় ভুলবশত আমার ফোন নম্বর যুক্ত হয়েছে এবং এ কারণে আমার Nagad অ্যাকাউন্ট নিয়ে সমস্যা হয়েছে ও আমার নামে মামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে WhatsApp-এ আরেকজন ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের সাইবার ক্রাইমের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিষয়টি সমাধানের কথা বলেন এবং ফোনে একটি কোড ডায়াল করতে বলেন। পরিচয় ও অফিসের তথ্য জানতে চাইলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি কোনো কোড বা সংবেদনশীল তথ্য দিইনি এবং সরাসরি Square Hospital-এর সঙ্গে যোগাযোগ করি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই ঘটনাটিকে আমি সম্ভাব্য প্রতারণার চেষ্টা হিসেবে দেখছি। তবে একটি বিষয় আমাকে ভাবিয়েছে—তারা আমার চিকিৎসা/পেমেন্ট সংক্রান্ত কিছু তথ্য কীভাবে জানল? এই তথ্য কোথা থেকে এসেছে, তা আমার জানা নেই। সবার প্রতি অনুরোধ: অপরিচিত কেউ হাসপাতাল, ব্যাংক, Nagad বা পুলিশের পরিচয় দিয়ে ফোন করলেও যাচাই ছাড়া কোনো OTP, PIN, USSD কোড বা ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল নম্বরে নিজে যোগাযোগ করে বিষয়টি যাচাই করুন। সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
ভয়হীন কর্মক্ষেত্র
ও ক্যাম্পাস গড়ি
কর্মক্ষেত্র, ক্যাম্পাস, গণপরিবহন, হাসপাতাল, দোকান-রেস্টুরেন্ট বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে হয়রানির শিকার হলে সম্পূর্ণ বেনামে রিপোর্ট করুন। কোনো নাম, ইমেইল, ফোন বা আইপি সংরক্ষণ করা হয় না।
প্রক্রিয়া
যেভাবে কাজ করে। তিনটি ধাপ।
বেনামে জমা দিন
কোনো অ্যাকাউন্ট বা ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াই ঘটনার বিবরণ লিখুন। কোনো নাম উল্লেখ করা যায় না।
মডারেটর যাচাই করেন
প্রকাশের আগে একজন মডারেটর প্রতিটি রিপোর্ট পর্যালোচনা করেন — ব্যক্তির নাম বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে প্রত্যাখ্যান হয়।
প্রকাশিত হয়
অনুমোদিত রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানের পাতায় প্রকাশ হয় এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা স্কোর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।
প্ল্যাটফর্মের সারসংক্ষেপ
17
মোট রিপোর্ট
806
তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান
7
এই মাসে পর্যালোচিত
8
বিভাগ কভারেজ
সাম্প্রতিক রিপোর্ট
সম্প্রতি মডারেশন পেরিয়ে প্রকাশিত বেনামী রিপোর্ট
২০১১ সালের মে ও জুনে প্রতিষ্ঠানের বসুন্ধরা শাখার একজন শিক্ষক দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিজের বাসার একটি কক্ষে আটকে দুই দফা ধর্ষণ করেন এবং মোবাইল ফোনে তা ধারণ করেন। ছাত্রীর পরিবার জুলাই ২০১১-তে মামলা করে। ২০১৫ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ ওই শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net ; Prothom Alo — en.prothomalo.com
২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষায় মোবাইল ফোন রাখার অভিযোগে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী ও তার বাবা-মাকে শিক্ষকদের কাছে অপমানিত হতে হয় বলে অভিযোগ ওঠে; সেদিনই ছাত্রীটি আত্মহত্যা করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে শিক্ষকদের আচরণ নির্দয় ছিল বলে জানানো হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় পুলিশ তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রভাতি শাখার প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net ; Dhaka Tribune — dhakatribune.com
২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে একটি ছাত্রী হলে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের এক নেত্রী ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত হয়; জড়িত থাকার অভিযোগে হলের প্রাধ্যক্ষকে প্রত্যাহার করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে — প্রথমে এক বছরের জন্য, পরে স্থায়ীভাবে। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net ; Dhaka Tribune — dhakatribune.com ; Dhaka Tribune — dhakatribune.com
২০২৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে এক নারীর স্বামীকে মীর মশাররফ হোসেন হলের একটি কক্ষে আটকে রেখে হলের পাশের এলাকায় ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নেতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে; বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুজনের সনদ বাতিল ও চারজনকে বহিষ্কার করে। সূত্র: Dhaka Tribune — dhakatribune.com ; Dhaka Tribune — dhakatribune.com
২০২২ সালের ১৭ জুলাই রাত ১০টার দিকে প্রীতিলতা হল থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেনের দিকে যাওয়ার পথে এক ছাত্রী ও তাঁর বন্ধুকে পাঁচ যুবক আটকে মারধর করে, ছাত্রীটির পোশাক ছিঁড়ে ভিডিও ধারণ করে এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ছাত্রলীগের দুই কর্মীসহ পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে; বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত দুই শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার দাবিতে ছাত্রীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সূত্র: TBS News — tbsnews.net ; The Daily Star — thedailystar.net
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ছাত্রীনিবাসে সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও সাধারণ ছাত্রীদের নির্যাতনের দীর্ঘদিনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। এক ছাত্রীকে ছয় ঘণ্টার বেশি আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন ও বিবস্ত্র ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, এবং আরেক ছাত্রীর গায়ে গরম চা ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে আসে। এরপর সংগঠনটি কলেজ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করে। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net ; Prothom Alo — en.prothomalo.com
২০২৩ সালের শেষ দিকে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রী একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। তথ্যানুসন্ধান কমিটি প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায়; ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ওই শিক্ষককে সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় এবং যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলকে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেয়। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net
২০২৫ সালের আগস্টে আইন বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। বিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং সেপ্টেম্বরে সিন্ডিকেট তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তদন্ত কমিটির দেওয়া সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি সিন্ডিকেট তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। সূত্র: The Daily Star — thedailystar.net
২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ৩১ পৃষ্ঠার লিখিত যৌন হয়রানির অভিযোগ দেন। তদন্ত কমিটির সুপারিশে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণের জন্য বিষয়টি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে পাঠায়। সূত্র: TBS News — tbsnews.net
প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তা তালিকা
সাম্প্রতিক ও সর্বাধিক আলোচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সেফটি স্কোর
অক্সফাম বাংলাদেশ
এনজিওঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অগমেডিক্স বাংলাদেশ
কোম্পানিঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাংকঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয়ঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অনন্ত গ্রুপ
গার্মেন্টস ও কারখানাঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অনাবিল সুপার
পরিবহন (বাস/ট্রেন/লঞ্চ/বিমান/মেট্রো)ঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অপটিমাইজলি বাংলাদেশ
কোম্পানিঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী/থানাঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড
কোম্পানিঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
অরবিট্যাক্স বাংলাদেশ
কোম্পানিঢাকা
এখনো কোনো প্রকাশিত রিপোর্ট নেই।
সারসংক্ষেপ
এক নজরে
ঢাকা (53%)
ঢাকা (53%)
যৌন হয়রানি (71%)
সর্বশেষ হালনাগাদ: 2 অক্টোবর 2026 · 17 টি বেনামী, মডারেটেড রিপোর্টের ভিত্তিতে। প্রতিটি রিপোর্ট প্রকাশের আগে একজন মডারেটর পর্যালোচনা করেছেন।
Bolun
স্বচ্ছতা লেজার
সালভিত্তিক প্রবণতা
বিভাগ অনুযায়ী রিপোর্ট
জেলা অনুযায়ী রিপোর্ট (শীর্ষ ১০)
ধরন অনুযায়ী রিপোর্ট
প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী
ঘটনা কতবার ঘটেছে (অনুযায়ী)
অভিযুক্তের ভূমিকা অনুযায়ী
প্রতিষ্ঠান পরিসংখ্যান
নিরাপত্তা অবস্থা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
ধরন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
বিভাগ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
সর্বাধিক রিপোর্ট হওয়া প্রতিষ্ঠান
বেনামী নিরাপত্তা কীভাবে কাজ করে
কোনো অ্যাকাউন্ট নেই, কোনো পরিচয় সংরক্ষণ হয় না, প্রকাশের আগে মডারেশন হয়।
কোনো ব্যক্তিগত তথ্য নেই
নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা সঠিক ঠিকানা — কিছুই সংরক্ষণ করা হয় না।
কাঁচা আইপি রাখা হয় না
শুধু অপব্যবহার প্রতিরোধে সাময়িক রেট-লিমিট ব্যবহার হয়, কোনো লগ সংরক্ষণ ছাড়াই।
মডারেশনের পর প্রকাশ
প্রতিটি রিপোর্ট প্রকাশের আগে একজন মডারেটর পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগত পরিচয় মুছে দেন।
প্রতিষ্ঠান নিয়ে, ব্যক্তি নিয়ে নয়
রিপোর্টে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করার অনুমতি নেই, শুধু বিভাগ/প্রতিষ্ঠানের নাম থাকে।
প্রশ্ন
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
হ্যাঁ। Bolun কোনো অ্যাকাউন্ট, নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা ডিভাইস আইডি সংগ্রহ করে না। রিপোর্ট টেবিলে কোনো আইপি-অ্যাড্রেস কলামও নেই। শুধু অপব্যবহার ঠেকাতে সাময়িক রেট-লিমিট ব্যবহার হয়, যা কোনো লগ হিসেবে সংরক্ষণ হয় না।
নীরব থাকবেন না। বলুন।
মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না, কোনো পরিচয় সংরক্ষণ হয় না।
বেনামে রিপোর্ট করুনজরুরি সহায়তা
তাৎক্ষণিক সাহায্য প্রয়োজন হলে সরাসরি যোগাযোগ করুন