রোদে নিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখছিলো পা উচু করে, অত্যান্ত জঘন্য ঘটনা এরকম হলে কখনো ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতাম না ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার শুরুতে এরকম রেগিং আমার এখনো মনে পড়ে এটা কখনো আমি মানতে পারিনা এটা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত জঘন্য ঘটনা আর কারো সাথে জেনে এরকম শুরুতে ভার্সিটিতে যাওয়া কারো সাথে এমন না ঘটে
ভয়হীন কর্মক্ষেত্র
ও ক্যাম্পাস গড়ি
যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান বা অফিসে হয়রানির শিকার হলে সম্পূর্ণ বেনামে রিপোর্ট করুন। কোনো নাম, ইমেইল, ফোন বা আইপি সংরক্ষণ করা হয় না।
প্রক্রিয়া
যেভাবে কাজ করে। তিনটি ধাপ।
বেনামে জমা দিন
কোনো অ্যাকাউন্ট বা ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াই ঘটনার বিবরণ লিখুন। কোনো নাম উল্লেখ করা যায় না।
মডারেটর যাচাই করেন
প্রকাশের আগে একজন মডারেটর প্রতিটি রিপোর্ট পর্যালোচনা করেন — ব্যক্তির নাম বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে প্রত্যাখ্যান হয়।
প্রকাশিত হয়
অনুমোদিত রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানের পাতায় প্রকাশ হয় এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা স্কোর স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।
প্ল্যাটফর্মের সারসংক্ষেপ
27
মোট রিপোর্ট
17
তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান
4
এই মাসে পর্যালোচিত
8
বিভাগ কভারেজ
সাম্প্রতিক রিপোর্ট
সম্প্রতি মডারেশন পেরিয়ে প্রকাশিত বেনামী রিপোর্ট
প্রমোশনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত সময় কাজ করানো হয় এবং প্রত্যাখ্যান করলে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
নম্বর দেওয়ার নামে অনৈতিক সুবিধা দাবি করা হয়েছিল। বিভাগীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সমান যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নারী কর্মীদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে বারবার।
থিসিসের কাজ নিয়ে অযৌক্তিক চাপ ও অপমানজনক মন্তব্যের শিকার হয়েছি, তবে বিভাগ পরবর্তীতে বিষয়টি আমলে নিয়ে সতর্ক করেছে।
অভিযোগ জানানোর পরেও এইচআর বিভাগ থেকে কোনো তদন্ত হয়নি, বরং চাকরি হারানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
নাইট শিফটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়, পরে কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
নারী শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রকল্পে যুক্ত করার ক্ষেত্রে নিয়মিত অগ্রাধিকার কম দেওয়া হয়।
নতুন শিক্ষার্থীদের রাতে জেগে থেকে সিনিয়রদের ব্যক্তিগত কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
পারফরম্যান্স রিভিউতে অন্যায্যভাবে কম নম্বর দিয়ে পদোন্নতি আটকে রাখা হয়েছে বারবার।
প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তা তালিকা
সাম্প্রতিক ও সর্বাধিক আলোচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সেফটি স্কোর
GSTU
বিশ্ববিদ্যালয়গোপালগঞ্জ
কীর্তনখোলা টেক সলিউশনস (নমুনা)
কোম্পানিবরিশাল
গ্রিন ভ্যালি কলেজ (নমুনা)
স্কুল ও কলেজরাজশাহী
চট্টলা জেনারেল হাসপাতাল (নমুনা)
হাসপাতালচট্টগ্রাম
তিস্তা ব্যাংক শাখা (নমুনা)
ব্যাংকরংপুর
নর্থ স্টার ব্যাংক (নমুনা)
ব্যাংকচট্টগ্রাম
পদ্মা বিভাগীয় দপ্তর (নমুনা)
সরকারি দপ্তররাজশাহী
প্রগতি সরকারি দপ্তর (নমুনা)
সরকারি দপ্তরসিলেট
ব্রহ্মপুত্র ইউনিভার্সিটি (নমুনা)
বিশ্ববিদ্যালয়ময়মনসিংহ
ব্লুওয়েভ টেক লিমিটেড (নমুনা)
কোম্পানিঢাকা
সারসংক্ষেপ
এক নজরে
ঢাকা (26%)
ঢাকা (22%)
ক্ষমতার অপব্যবহার (33%)
সর্বশেষ হালনাগাদ: 26 সেপ্টেম্বর 2026 · 27 টি বেনামী, মডারেটেড রিপোর্টের ভিত্তিতে। প্রতিটি রিপোর্ট প্রকাশের আগে একজন মডারেটর পর্যালোচনা করেছেন।
Bolun
স্বচ্ছতা লেজার
সালভিত্তিক প্রবণতা
বিভাগ অনুযায়ী রিপোর্ট
জেলা অনুযায়ী রিপোর্ট (শীর্ষ ১০)
ধরন অনুযায়ী রিপোর্ট
প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী
ঘটনা কতবার ঘটেছে (অনুযায়ী)
অভিযুক্তের ভূমিকা অনুযায়ী
প্রতিষ্ঠান পরিসংখ্যান
নিরাপত্তা অবস্থা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
ধরন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
বিভাগ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান
সর্বাধিক রিপোর্ট হওয়া প্রতিষ্ঠান
বেনামী নিরাপত্তা কীভাবে কাজ করে
কোনো অ্যাকাউন্ট নেই, কোনো পরিচয় সংরক্ষণ হয় না, প্রকাশের আগে মডারেশন হয়।
কোনো ব্যক্তিগত তথ্য নেই
নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা সঠিক ঠিকানা — কিছুই সংরক্ষণ করা হয় না।
কাঁচা আইপি রাখা হয় না
শুধু অপব্যবহার প্রতিরোধে সাময়িক রেট-লিমিট ব্যবহার হয়, কোনো লগ সংরক্ষণ ছাড়াই।
মডারেশনের পর প্রকাশ
প্রতিটি রিপোর্ট প্রকাশের আগে একজন মডারেটর পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগত পরিচয় মুছে দেন।
প্রতিষ্ঠান নিয়ে, ব্যক্তি নিয়ে নয়
রিপোর্টে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করার অনুমতি নেই, শুধু বিভাগ/প্রতিষ্ঠানের নাম থাকে।
প্রশ্ন
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
হ্যাঁ। Bolun কোনো অ্যাকাউন্ট, নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা ডিভাইস আইডি সংগ্রহ করে না। রিপোর্ট টেবিলে কোনো আইপি-অ্যাড্রেস কলামও নেই। শুধু অপব্যবহার ঠেকাতে সাময়িক রেট-লিমিট ব্যবহার হয়, যা কোনো লগ হিসেবে সংরক্ষণ হয় না।
নীরব থাকবেন না। বলুন।
মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না, কোনো পরিচয় সংরক্ষণ হয় না।
বেনামে রিপোর্ট করুনজরুরি সহায়তা
তাৎক্ষণিক সাহায্য প্রয়োজন হলে সরাসরি যোগাযোগ করুন